ফরিদগঞ্জকে সবাই চেনে শান্তির জনপদ হিসেবে। অথচ এই এলাকার অপার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এখানকার মানুষের আয়-রোজগার কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছেনি। মাওলানা মো: বিল্লাল হোসেন মিয়াজী এর মেগা পরিকল্পনার ৩টি স্তম্ভ:
ম্যানিফেস্টো / লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
আমাদের অঙ্গীকার এবং আগামীর পরিকল্পনা
আমাদের মূল অগ্রাধিকারসমূহ
একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং আত্মনির্ভরশীল সমাজ গঠনের লক্ষ্যে আমাদের কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে। এই লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে আপনার সমর্থন আমাদের একান্ত কাম্য।
দুর্নীতিমুক্ত সমাজ
প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
মানসম্মত শিক্ষা
তথ্য ও প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসার।
কর্মসংস্থান
তরুণদের জন্য স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি।
স্বাস্থ্যসেবা
সকলের জন্য সুলভ ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
পরিবেশ রক্ষা
টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব সবুজ বাংলাদেশ নির্মাণ।
যুবকদের কর্মসংস্থান নিয়ে জামায়াতের পরিকল্পনা
১০ মিলিয়ন (১ কোটি)
দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলা হবে
যাদের কর্মসংস্থান দেশে ও দেশের বাইরে নিশ্চিত করা হবে।
৫০ লক্ষ
যুবকের জন্য দেশে চাকরির ব্যবস্থা
দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে।
৫ লক্ষ
তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি
নতুন উদ্ভাবন ও ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
১৫ লক্ষ
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তোলা
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি।
ফরিদগঞ্জ নিয়ে আমাদের নেতার ভাবনা
কৃষি ও শিল্পের বিকাশ
ফরিদগঞ্জের কৃষি ও শিল্পকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে আমরা ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই। আমরা এই জায়গায় কাজ করতে চাই।
নদী পর্যটন ও ব্র্যান্ডিং
চাঁদপুরের নদী পর্যটন বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে পরিচিত কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত এটাকে অর্থনৈতিকভাবে ব্র্যান্ডে পরিণত করতে পারিনি। এইটা নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আছে।
শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান
মেধাবী শিক্ষার্থীদের কাজে লাগিয়ে আমরা চাঁদপুরের অর্থনীতিকে আমূল পরিবর্তন করতে পারি। ইপিজেড, টেক্সটাইল মিল, আইটি বেজড, ই-কমার্স ও ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা হবে।
লক্ষ্য: ইপিজেড, টেক্সটাইল মিল, আইটি বেজড, ই-কমার্স, ফ্রিল্যান্সিং ইত্যাদিতে দক্ষ করে এই বেকারত্ব দূর করতে আমাদের সর্বোচ্চ ২-৩ বছর সময় লাগবে ইনশাআল্লাহ।
পূর্ণাঙ্গ ম্যানিফেস্টো পড়ুন
আমাদের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা এবং লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করুন।